মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

এক নজরে বান্দরবান সদর

এক নজরে উপজেলা

 

অবস্থানঃ  ২১.৫৫ ও  ২২.২২ উত্তর অক্ষামাংশে এবং ৯২.০৮ ও ৯২.২০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত

সীমানাঃ উত্তরে-  রাঙ্গামাটি  জেলার রাজস্থলী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম জেলাধীন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা

            দক্ষিণে- বান্দরবান পার্বত্য জেলাধীন লামা উপজেলা

            পূর্বে- বান্দরবান পার্বত্য জেলাধীন রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলা

            পশ্চিমে- চট্টগ্রাম জেলাধীন চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া উপজেলা অবস্থিত।

উপজেলার আয়তনঃ৪৯৫.৩৫ বর্গকিলোমিটার (১২২৬০০.৬০একর) [সহকারী কমিশনার এর

                                                             কার্যালয়, সদর এর ভূমি রেকর্ড অনুযায়ী]

মোট জনসংখ্যাঃ ৬৮৬৯৩ জন, পুরুষ- ৩৯,০২৬ জন এবং মহিলা- ২৯৬৬৭ জন

                                                             (২০০১খ্রিঃ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী)

ঘনত্বঃ ১৩৮.৬৮ জন প্রতি বর্গকিলোমিটারে

 

নামকরণঃ

সদর উপজেলার  ‘‘বান্দরবান ’’ নামের উৎপত্তি  সর্ম্পকে তেমন কোন তথ্য পাওয়া না গেলেও সাধারণভাবে এ বান্দরবান  পাহাড় এবং বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ। ইংরেজিতে  ‘মাংকি’ এবং ‘ফরেস্ট’  এ দু’শব্দের বাংলা অর্থ বানর এবং বন - এ দু’ শব্দের  মিলনে  ‘বান্দরবান’  নামকরণ করা হয়।  উপজাতীয়দের ভাষায়  বান্দরবান শহরকে ‘ম্যাকছে’ বলে। ‘ম্যাক’ শব্দের অর্থ ‘বানর’ এবং ‘ছে’ শব্দের অর্থ ‘বাঁধ’। এ দু’শব্দে হয়-বান্দরবান   এরকম জনশ্রূতি রয়েছে। পাহাড়ের ভাঁজে প্রচুর ছড়ায় শত শত বানর আসত। এ ছড়া গুলোতে প্রচুর ছোট বড় পাথর ছিল। ঝাঁকে ঝাঁকে বানর ছড়ার পাথরের উপর দল বেঁধে বসে থাকত। এ দৃশ্য বানরের বাঁধ হিসেবে পরিচিতি পায়। সকলের মুখে এ ধ্বনির পরিবর্তীত রূপ হয়- ‘‘ বান্দরবান ’’। এভাবে  কালের বিবর্তনে এবং  ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে স্থানটি বান্দরবান নামে অভিহিত হয়।

ইউনিয়ন সমূহ

ইউনিয়ন- ০৫টি, যথা-

১। ১ নং রাজবিলা ইউনিয়ন

২।  ২ নং কুহালং  ইউনিয়ন

৩।  ৩ নং বান্দরবান সদর ইউনিয়ন

৪।  ৪ নং সুয়ালক  ইউনিয়ন

৫।  ৫নং টংকাবতী ইউনিয়ন

 

যোগাযোগ ব্যবস্থা

১। পাকা রাস্তা- ৯৩ কিঃমি,

২। আধা পাকা রাস্তা- ১১২ কিঃমি,

৩। কাঁচা রাস্তা- ৪৬০ কিঃমি এবং

৪। নদীপথ- ৩০ কিঃমি।

জেলা সদর থেকে উপজেলা সদরের দূরত্ব- ০.৫কিঃমিঃ

(সচরাচর ব্যবহৃত দ্রুততম যানে যাতায়াতের সময়- ৫ মিনিট)

টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল। বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু আছে।